চাঁদপুরে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলনের সময় পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি। ছবি সূত্র: প্রথম আলো / সংগৃহীত | সংগ্রহ ও পরিবেশনায়: BDUS News 24।
চব্বিশের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় বিক্ষুব্ধ জনতার পিটুনিতে নিহত চাঁদপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম খান এবং তার ছেলে অভিনেতা শান্ত খানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। ঘটনার দীর্ঘ সময় পর আদালতের নির্দেশে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে প্রেরণ
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বুধবার সকালে চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের পারিবারিক কবরস্থান থেকে মরদেহ দুটি উত্তোলন করা হয় বলে জানান চাঁদপুর পুরানবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) চাঁদ মিয়া। কবর থেকে উত্তোলনের পর মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মরদেহ উত্তোলনের সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যয় হাশেমসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তৎকালীন পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবার মরদেহ দাফন করেছিল। তবে হত্যা মামলার আইনি প্রক্রিয়া ও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আদালত পুনরায় ময়নাতদন্তের এই নির্দেশ দেন।
পটপরিবর্তন ও মৃত্যুর পেছনের ঘটনা
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিন বিকেলে এলাকা ছাড়ার চেষ্টা করছিলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা সেলিম খান এবং তার ছেলে শান্ত খান। একটি গাড়িতে করে যাওয়ার সময় চাঁদপুর সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের ফরক্কাবাদ বাজার এলাকায় তারা বিক্ষুব্ধ জনতার মুখে পড়েন।
পরবর্তীতে পাশের বাগড়া বাজার এলাকায় তাদের গাড়ি আটকে যায় এবং বিক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে বাবা ও ছেলে নিহত হন। এই মৃত্যুর ঘটনায় সেসময় থানায় কোনো মামলা না হলেও, পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কুদ্দুস সরকার বাদী হয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় ১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ওপর বিশেষ নজর
সেলিম খান ও শান্ত খানের মরদেহ
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কারা সরাসরি জড়িত ছিল সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে। শরীরে আঘাতের ধরন ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণের মাধ্যমে তদন্ত কার্যক্রম আরও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে। সেলিম খান ও শান্ত খানের মরদেহ
ফেনীতে মহাসড়কে চেকপোস্টে এসআরবি কর্মকর্তার মর্মান্তিক মৃত্যু





