ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী বাংলাদেশ রেলওয়ের আন্তঃনগর ট্রেন।(ছবি: দৈনিক ইত্তেফাক | ফটো সম্পাদনা ও ক্যানভা এডিট: বিডিইউএস নিউজ ২৪)
পর্যটনপ্রেমী ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সাধারণ ট্রেনযাত্রীদের জন্য বড় ধরনের সুখবর নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত নগরী কক্সবাজারের ট্রেন যোগাযোগ আরও সহজ ও প্রসারিত করতে আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে এই রুটে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হতে যাচ্ছে জনপ্রিয় আন্তঃনগর ট্রেন ‘মহানগর এক্সপ্রেস’।
বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে এই বর্ধিত রুটের প্রথম যাত্রার শুভ উদ্বোধন করবেন রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এতদিন এই রুটে চলাচলকারী ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ও ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ বিরতিহীন হওয়ার কারণে মধ্যবর্তী জেলাগুলোর যাত্রীরা সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাতায়াতের সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন।
নতুন সময়সূচি ও ঢাকা কক্সবাজার ট্রেনে মহানগর এক্সপ্রেস-এর সুবিধা
নতুন সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৭২২ নম্বর ঢাকা কক্সবাজার ট্রেনে মহানগর এক্সপ্রেসপ্রতিদিন রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে রাত ৩টায় চট্টগ্রাম পৌঁছাবে এবং সেখানে ২০ মিনিটের বিরতি শেষে পরদিন সকাল ৬টায় কক্সবাজারে গিয়ে পৌঁছাবে।
ফিরতি পথে ৭২১ নম্বর ট্রেনটি প্রতিদিন সকাল ৮টায় কক্সবাজার থেকে রওনা হয়ে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম জংশনে আসবে। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম থেকে বিরতি শেষে যাত্রা করে একই দিন সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছে যাবে। এই নতুন রুটের আন্তঃনগর ট্রেনটিতে ১৬টি কোচ থাকবে এবং মোট আসন সংখ্যা হবে ৭০৬ থেকে ৭৩৬টি। ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ নির্ধারণ করা হয়েছে রবিবার।
যাত্রাবিরতির স্টেশন ও অভ্যন্তরীণ সেবা
বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ সফিকুর রহমান ও চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার আবু বকর সিদ্দিক জানান, কক্সবাজার এক্সপ্রেসের মতো এটি সরাসরি বা বিরতিহীনভাবে চলবে না। পথে নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট এবং ফেনী জংশন স্টেশনে ট্রেনটির নির্ধারিত যাত্রাবিরতি থাকবে। তবে নতুন সূচিতে ট্রেনটি চট্টগ্রামের কুমিরা স্টেশনে থামবে না।
যাত্রীদের দীর্ঘপথের স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণের কথা চিন্তা করে ঢাকা কক্সবাজার ট্রেনে মহানগর এক্সপ্রেস-এ সাধারণ শোভন চেয়ারের পাশাপাশি স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার), এসি সিট এবং এসি বার্থের সুবিধা রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে গত ১৬ অক্টোবর থেকে এই নতুন বর্ধিত রুটের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়ে গেছে। বর্তমানে এই রুটে চলাচল করা চার জোড়া ট্রেনের সঙ্গে মহানগর এক্সপ্রেস যুক্ত হওয়ায় মোট ট্রেনের সংখ্যা দাঁড়াবে পাঁচ জোড়ায়, যা রেলওয়ের রাজস্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি পর্যটন শিল্পে নতুন গতি আনবে।
অভিনয়ে অনিয়মিত সাদিয়া জাহান প্রভা: কর্পোরেট ক্যারিয়ার ও নতুন জীবন নিয়ে যা বলছেন অভিনেত্রী





