
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের অত্যন্ত কৌশলগত সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালীতে ফের সামরিক উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরান সমর্থিত বাহিনী বা ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনার পরপরই বিশ্ববাজারে জেনেশুনেই তেলের দামে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানকে দেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন কঠোর হুঁশিয়ারি। হরমুজ প্রণালীতে হামলা
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থার সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার সময় আমিরাতের পতাকাবাহী একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার বা বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালানো হয়। হামলায় জাহাজটির সামান্য ক্ষতি হলেও কোনো বড় ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।হরমুজ প্রণালীতে হামলা চলাকালে আশেপাশের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে…”
এদিকে এই ঘটনার পর মার্কিন পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউস থেকে এক যৌথ বিবৃতিতে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় এই ধরনের আক্রমণ কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। মার্কিন প্রশাসন ইরানকে সতর্ক করে বলেছে, “বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের নিরাপত্তা বজায় রাখতে ওয়াশিংটন যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে ইরানকে তার চরম মূল্য দিতে হবে।”হরমুজ প্রণালীতে হামলা
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ব বাণিজ্য এবং তেল সরবরাহের জন্য হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট। বিশ্বের মোট ব্যবহৃত অপরিশোধিত তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই সরু প্রণালী দিয়েই পরিবাহিত হয়। এই বাণিজ্যিক রুটে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।
🔗 আরও পড়ুন: বাবার মৃত্যুর পর লিওনেল মেসি আর কতদিন খেলা চালিয়ে যাবেন তা নিয়ে অনিশ্চিত।






