
রাজধানী ঢাকা জুড়ে নিরাপত্তা জোরদারের মাঝেই একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ এবং যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অন্তত ১০টি ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কাফরুল থানা সংলগ্ন এলাকায় একটি ফাঁকা বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এই আকস্মিক সহিংসতায় সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
বিডি নিউজ ২৪ (BDUS News 24)-এর অনুসন্ধানে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে তৎপর রয়েছে। তবে কারা বা কী উদ্দেশ্যে এই নাশকতা চালাচ্ছে, তা এখনো সুনির্দিষ্টভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ প্রশাসন। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অপরাধীদের শনাক্ত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ঢাকায় ককটেল বিস্ফোরণ
যাত্রাবাড়ী ও কাফরুলসহ বিভিন্ন স্থানে নাশকতার চিত্র ঢাকায় ককটেল বিস্ফোরণ
শুক্রবার রাত ১০টার দিকে কাফরুল থানার কাছাকাছি এলাকায় একটি ফাঁকা বাসে হঠাৎ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। ডিএমপির মিরপুর অঞ্চলের সহকারী কমিশনার আবুল বাসার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে যায়। এর কিছুক্ষণ পরেই রামপুরার বিটিভি ভবন সংলগ্ন এলাকায় আরও দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
এর আগে দুপুর থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত যাত্রাবাড়ী থানার প্রধান ফটকসহ রাজধানীর মোট ছয়টি স্থানে ককটেল হামলার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা এলাকায় বিস্ফোরণে ইবাদুর রহমান নামের এক অটোরিকশাচালক গুরুতর আহত হন। তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ফ্লাইওভার বা উড়ালসড়কের ওপর থেকে এসব ককটেল নিচে ছুড়ে মারা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
ঢাকায় ধারাবাহিক ককটেল বিস্ফোরণ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি
দিনের বিভিন্ন সময়ে মালিবাগের সোহাগ বাস কাউন্টার, আগারগাঁওয়ের বেতার ভবন এলাকা, মহাখালী, বাবুবাজার ব্রিজ এবং মগবাজার মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাজনৈতিক মামলার রায় ঘোষণা এবং বিভিন্ন এলাকায় তৎপরতাকে কেন্দ্র করে এই অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে গত মঙ্গলবার রায় ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্ট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল।
পুলিশের তেজগাঁও ও মিরপুর বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীর প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে চেকপোস্ট ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঢাকায় ককটেল বিস্ফোরণ
রাজধানীতে ধারাবাহিক ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে ভিজিট করুন BDUS News 24






