উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় বক্তব্য রাখছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। সংগৃহীত ছবি
সামাজিক অপরাধ এবং পারিবারিক সহিংসতার অন্যতম প্রধান উৎস হলো মাদক। তরুণ সমাজকে অন্ধকারের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে মাদকের ব্যবহার কঠোর হাতে দমন করতে হবে। দেশ থেকে মাদকসেবীর সংখ্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন (বয়স ৪৮ বছর)।
আজ চট্টগ্রামের হাটহাজারী সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষক, অভিভাবক ও শত শত শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং তরুণ সমাজকে আধুনিক প্রযুক্তি ও কর্মমুখী শিক্ষায় দক্ষ করে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারে সরকারের বিশেষ উদ্যোগ মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন
শিক্ষার্থীদের শুধু গতানুগতিক সনদসর্বস্ব শিক্ষার গণ্ডিতে আটকে না রেখে বৈশ্বিক চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তবমুখী ও কারিগরি শিক্ষায় পারদর্শী করে তোলার তাগিদ দেন প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হলে তরুণ প্রজন্মকে ইংরেজি, গণিত এবং বিজ্ঞানে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে।
সরকার সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি দেশব্যাপী কারিগরি শিক্ষার ব্যাপক প্রসারে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। মানসম্মত ও টেকসই শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান সরকার বহুমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
হাটহাজারীতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর বার্তা
নবীনবরণ অনুষ্ঠান শেষে হাটহাজারী উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় যোগ দেন প্রতিমন্ত্রী। ওই সভায় মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন মাদক ও সন্ত্রাস দমনে প্রশাসনকে অত্যন্ত কঠোর ও জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ দেন। একই সাথে শহরের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা সুসংহত রাখতে স্থানীয় সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় তিনি হাটহাজারী অঞ্চলে বিগত ১৯ বছরের স্থবিরতা কাটিয়ে বর্তমান সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, এই অঞ্চলে ইতোমধ্যে ৫০০টিরও বেশি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৪০০টির কাজ ইতোমধ্যে শেষ বা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পাশাপাশি, এলজিইডির আওতায় গ্রামীণ সড়ক সৌন্দর্যবর্ধন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের অংশ হিসেবে নতুন কর্মীদের মাঝে নিয়োগপত্র বিতরণ এবং ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ১৪টি ইউনিয়নে ফগার মেশিন প্রদান করা হয়।
জাতিসংঘে জাইমা রহমানের নিয়োগ: বিশ্বমঞ্চে এক নতুন অধ্যায় ও সাম্প্রতিক আপডেট





