
আসন্ন সিটি করপোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে স্থানীয় সরকার আইন ও বিধি সংশোধনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই নতুন প্রস্তাবনা অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের কোনো ধরনের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত রাখা হয়নি। দেশের শীর্ষস্থানীয় নিউজ পোর্টাল BDUS News 24-এর আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে থাকছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের এই সর্বশেষ আপডেট ও আইনগত সংশোধনীগুলোর বিস্তারিত তথ্য। স্থানীয় সরকার নির্বাচন শিক্ষা যোগ্যতা
আইন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব ও প্রার্থীর অযোগ্যতার নতুন বিধানসমূহ. স্থানীয় সরকার নির্বাচন শিক্ষা যোগ্যতা
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার আইন ও বিধিমালার এই সংশোধনী প্রস্তাবগুলো আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবিত নতুন বিধিমালার মধ্যে বেশ কিছু কঠোর ও সময়োপযোগী নিয়ম যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—হলফনামায় মিথ্যা তথ্য প্রদান বা তথ্য গোপনের মতো ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা সরাসরি বাতিল করার বিধান। এছাড়া দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ব্যক্তি এবং ঋণখেলাপি বা বিলখেলাপি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে সম্পূর্ণ অযোগ্য ঘোষণা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা হয়েছে, তারাও এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও নির্বাচনি অপরাধের কঠোর সাজা
ইসি’র পাঠানো এই চূড়ান্ত প্রস্তাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর নাম আগের মতোই বহাল রাখা হয়েছে। পাশাপাশি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বক্ষণিক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্ব স্ব চাকরিতে বহাল থেকে নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না বলে প্রস্তাব করা হয়েছে, যদিও জামায়াতে ইসলামী এই বিধানের তীব্র বিরোধিতা করেছে। এছাড়া নির্বাচনি অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের জন্য শাস্তির মাত্রা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। নির্বাচনি অপরাধের দায়ে ন্যূনতম ছয় মাস থেকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সেই নির্বাচন তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করার ক্ষমতাও ইসির হাতে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও তফশিল ঘোষণা
চলতি মাসেই দেশের কিছুসংখ্যক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এবারও গতবারের মতো ধাপে ধাপে এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম পর্যায়ে উপকূলীয় বেশ কয়েকটি জেলা—যেমন বরিশাল, পিরোজপুর, বরগুনা, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের ইউনিয়ন পরিষদগুলোকে প্রাথমিক বিবেচনায় রাখা হয়েছে। খুব শীঘ্রই কমিশনের আনুষ্ঠানিক সভায় কোন কোন এলাকায় কবে ভোট গ্রহণ করা হবে, তা চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই নির্বাচনকে সামনে রেখেই স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর আইন ও বিধিমালার সংশোধনীগুলো মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এসব সংশোধনী সংসদে পাস না হলে বিদ্যমান পুরনো আইন অনুসারেই নির্বাচন সম্পন্ন হবে। BDUS News 24-এর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে পরবর্তী সব আপডেট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। স্থানীয় সরকার নির্বাচন শিক্ষা যোগ্যতা
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সর্বশেষ আপডেট ও খবর পড়তে BDUS News 24 ভিজিট করুন






