
দাপ্তরিক যোগাযোগ ও নথিপত্র ব্যবস্থাপনায় নতুন ও যুগান্তকারী নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এখন থেকে সরকারি নথিপত্র, দাপ্তরিক চিঠিপত্র এবং সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের সময় দেশের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদবির আগে আর কোনো বিশেষ সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। দাপ্তরিক যোগাযোগ মহামান্য মাননীয় বাদ
BDUS News 24-এর পাঠকদের জন্য এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হলো।
দাপ্তরিক কার্যক্রমে নতুন নির্দেশনা . দাপ্তরিক যোগাযোগ মহামান্য মাননীয় বাদ
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সম্প্রতি জারি করা একটি অফিসিয়াল পরিপত্রে এই পরিবর্তনের কথা জানানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের সরকারি ও দাপ্তরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে তাঁদের পদবির পূর্বে ‘মহামান্য’ বা ‘মাননীয়’-এর মতো প্রচলিত সম্মানসূচক শব্দগুলো লিখিতভাবে ব্যবহার না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। এতদিন ধরে দাপ্তরিক নথিপত্র ও ফাইলের পাতায় পদবির আগে এই শব্দগুলো ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক বা নিয়মিত শিষ্টাচারের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল। সরকারের নীতিনৈতিকতা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে আধুনিকতা এবং সমতার ভাবমূর্তি বজায় রাখতেই এই যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রশাসনিক ক্ষেত্রে এর প্রভাব
বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্দেশনার ফলে সরকারি ফাইল ওয়ার্ক বা দাপ্তরিক নথিপত্র আরও সুনির্দিষ্ট ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করবে। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকা শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের পদবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রথাগত বা অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতা কমিয়ে এনে কাজের গতিশীলতা বাড়াতেই মূলত এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের প্রশাসনিক কাঠামোর প্রতিটি স্তরে এই নতুন নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। দাপ্তরিক যোগাযোগ মহামান্য মাননীয় বাদ






